1. info@www.prothomdhaka24.com : প্রথম ঢাকা :
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ফুটপাতে মুখরোচক খাবার হালিমের সাখে আসলে কি খাচ্ছি আমরা ?????? গোবিন্দগঞ্জে অটোচালক দুলা মিয়া হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ঈদে চুরির সতর্কতায় ও নিরাপত্তা দিতে ঢাকা কেরানীগঞ্জ পুলিশ । টেকনাফে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই বসত ঘর উখিয়া পালংখালীর জামতলী বাজার হতে র‌্যাবের হাতে অস্ত্র-গুলিসহ এক আরসা সন্ত্রাসী আটক। রাজধানীর মতিঝিল এলাকা হতে আনুমানিক ছয় লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের হেরোইনসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ জেলার সেরা সম্মাননা পেলেন পানছড়ির থানার ওসি শফিউল আজম ঘোলারচরে বিজিবির অভিযানে নৌকার পাটাতনের নীচ থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক-১ মায়ানমারে আভ্যন্তরীন যুদ্ধে ব্যাপক খাদ্যসংকট এপার থেকে পাচার হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীওপার থেকে আসছে ভোলা জেলার লালমোহন এলাকায় চাঞ্চল্যকর পারভিন বেগম (৩৭) হত্যাকান্ডের পলাতক প্রধান আসামি মোঃ রিপনসহ হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ০৩ জনকে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

ফুটপাতে মুখরোচক খাবার হালিমের সাখে আসলে কি খাচ্ছি আমরা ??????

দ্বীন ইসলাম
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ফুটপাতে মুখরোচক খাবার হিসাবে বেশ সুনাম রাজধানী ঢাকার হালিমের। এই হালিম তৈরিতে ব্যবহার হয় পাঁচ প্রকার ডাল, তেল, গরুর মাংস। তবে সাভাবিকের তুলনায় দাম অনেকটাই কম। প্রতি কাপ হালিম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। রাজধানী কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, যেখানে ৮০০ টাকা প্রতি কেজি গরুর মাংস সেখানে কিভাবে এত কম দামে হালিম বিক্রি করে? রাজধানীর হাজারিবাগ বেরীবাঁধ এলাকায় গরুর ফেলে দেওয়া অংশ রিসাইক্লিন করতে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি কারখানা। রয়েছে রিসাইক্লিনের পরে ফেলে দেওয়া হাড়গোর সংগ্রহের জায়গাও। গরুর ফেলে দেওয়া অংশ রিসাইক্লিন করে বাছ ছাট করা উচ্ছিস্ট রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সংগ্রহ করা হয়। এসব মাংস বিক্রি হয় প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। যার মধ্যে থাকে মাংশ ছাড়া সব কিছুই।

এই সমস্ত সস্তায় কেনা বাছ ছাট করা উচ্ছিস্ট মাংশকে ঘিরে রাজধানীর ধোলাইপাড় ডিপটি গলিতে গড়ে উঠেছে হালিম তৈরির কারখানা। আর এই হালিম ই চলে যায় রাস্তার পাশে ফুটপাতে পথচারিদের জন্য সস্তায় বিক্রির উদ্দেশ্যে। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

মানহীন অস্বাস্থ্যকর এসব খাবারের বিষয়ে সরকারের কোন সংস্থার নেই তদারকি। সরকারের মনিটরিং সংস্থা, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকের কাছে খাবারের মানের এসব বিষয়ে নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ঢাকা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোছাঃ রৌশন আরা বগম বলেন, সঠিক তথ্যের অভাবে আটকে যায় তদারকি । তাই অনেক সময় আমাদের কিছুই করার থাকে না। তবে অভিযোগ অথবা সঠিক তথ্য আসলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন তিনি ।

সাধারণ কিছু পথচারী এসব খাবেরের বিষয়ে জানলেও তাদের অভিযোগ নিন্মমানের এসব খাবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না সরকারের কোন সংস্থা। অনেক ব্যবসায়ির অভিযোগ দেশে নিরাপদ খাদ্য আইন থাকলেও এর তেমন কোন প্রয়োগ নেই। আবার নৈতিকতা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে সাধারণ মানুষ। তাদের চাওয়া, এসবের বিরুদ্ধে দ্রুতই যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট