1. info@www.prothomdhaka24.com : প্রথম ঢাকা :
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালক দুলা মিয়া হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ঈদে চুরির সতর্কতায় ও নিরাপত্তা দিতে ঢাকা কেরানীগঞ্জ পুলিশ । টেকনাফে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই বসত ঘর উখিয়া পালংখালীর জামতলী বাজার হতে র‌্যাবের হাতে অস্ত্র-গুলিসহ এক আরসা সন্ত্রাসী আটক। রাজধানীর মতিঝিল এলাকা হতে আনুমানিক ছয় লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের হেরোইনসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ জেলার সেরা সম্মাননা পেলেন পানছড়ির থানার ওসি শফিউল আজম ঘোলারচরে বিজিবির অভিযানে নৌকার পাটাতনের নীচ থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক-১ মায়ানমারে আভ্যন্তরীন যুদ্ধে ব্যাপক খাদ্যসংকট এপার থেকে পাচার হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীওপার থেকে আসছে ভোলা জেলার লালমোহন এলাকায় চাঞ্চল্যকর পারভিন বেগম (৩৭) হত্যাকান্ডের পলাতক প্রধান আসামি মোঃ রিপনসহ হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ০৩ জনকে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ বুড়িমারী এক্সপ্রেস বামনডাঙ্গা’য় যাত্রা বিরতির দাবিতে গণ অবস্থান ও মানববন্ধন।

গাইবান্ধায় প্রতিমা বিসর্জনে মধ্যদিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন:

মোহন সরকার
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

দেবী দুর্গার মর্তে আগমন,পাঁচদিন ধরে ভক্ত অনুরাগীদের আরাধনা শেষে বিজয় দশমীতে বিসর্জন। বিদায়ের বেদনা মনে লুকিয়ে সিঁদুর খেলা,আরতি আর আনন্দে শান্তিপুর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে দেবীকে বিদায় জানালেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে বিজয়ী দশমীতে বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনে শাস্ত্রীয় সমাপ্তি হয় দুর্গাপূজার। বিকাল ৩:০০ টার পর থেকেই মন্দিরগুলোতে গৃহবধূরা আসতে থাকে দেবীমাকে সিঁদুর দিয়ে তারপরে একে অপরকে সিঁদুর লাগিয়ে মুখমিষ্টি করে আশির্বাদ নেন। ৫:০০ টার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন শুরু করে চলতে থাকে রাত পর্যন্ত।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।দশদিন আগে মহালয়ার মধ্য দিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে এই পূজার উৎসব শুরু হয়েছিল।

দশভূজা দেবী মহালয়ার দিন ‘কন্যারূপে’ পৃথিবীতে আসেন। আর দশমার দিন বিসর্জনের মাধ্যমে এক বছরের জন্য বিদায় জানানো হয় তাকে। দেবীর আগমন ও প্রস্থানের মাঝে আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত মাঝের পাঁচদিন নানা আয়োজনে চলে দুর্গোৎসব।

এবার গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলার ৬৩২টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়। মণ্ডপগুলোর মধ্যে- গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১০১টি, সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১০৮টি, পলাশবাড়ী উপজেলায় ৬০টি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১৪৩টি, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১৩৬টি, ফুলছড়ি উপজেলায় ১৬টি ও সাঘাটা উপজেলায় ছিল ৬৮টি।

এসব মণ্ডপে শারদীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস,আনসার,গ্রাম পুলিশ প্রতিটি মন্দির কমিটিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্যে প্রতিটি মণ্ডপে লাগানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং স্বেচ্ছাসেবক কমিটি করা হয়েছে মণ্ডপ পাহারার জন্য।
এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট জেলা পূজা মন্দির মনিটরিং টিম,হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির পর্যবেক্ষণ টিমসহ বেশ কিছু সংগঠন সার্বক্ষণিক সতর্ক ও সচেতন অবস্থায় দায়ীত্ব পালন করেছে।

সামনের বছর আবারও দেবী আসবেন সুখের বার্তা নিয়ে,বধ করবেন সকল অশুভ শক্তিকে— এই আশাতেই বুক বেঁধেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন আয়োজনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সকলেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট