1. info@www.prothomdhaka24.com : প্রথম ঢাকা :
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালক দুলা মিয়া হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ঈদে চুরির সতর্কতায় ও নিরাপত্তা দিতে ঢাকা কেরানীগঞ্জ পুলিশ । টেকনাফে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই বসত ঘর উখিয়া পালংখালীর জামতলী বাজার হতে র‌্যাবের হাতে অস্ত্র-গুলিসহ এক আরসা সন্ত্রাসী আটক। রাজধানীর মতিঝিল এলাকা হতে আনুমানিক ছয় লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের হেরোইনসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ জেলার সেরা সম্মাননা পেলেন পানছড়ির থানার ওসি শফিউল আজম ঘোলারচরে বিজিবির অভিযানে নৌকার পাটাতনের নীচ থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক-১ মায়ানমারে আভ্যন্তরীন যুদ্ধে ব্যাপক খাদ্যসংকট এপার থেকে পাচার হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীওপার থেকে আসছে ভোলা জেলার লালমোহন এলাকায় চাঞ্চল্যকর পারভিন বেগম (৩৭) হত্যাকান্ডের পলাতক প্রধান আসামি মোঃ রিপনসহ হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ০৩ জনকে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ বুড়িমারী এক্সপ্রেস বামনডাঙ্গা’য় যাত্রা বিরতির দাবিতে গণ অবস্থান ও মানববন্ধন।

ঘোড়াঘাটের করতোয়া নদীতে তৈরী অস্থায়ী কাঠের সেতুটি এখন মৃত্যুফাঁদ:

মোহন সরকার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট ও গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার সীমান্তে স্থাপিত ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন সুপার স্ট্রাকচার ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
পুরাতন ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন ব্রীজ নির্মান কাজ শুরুর আগেই পাশেই অস্থায়ী বিকল্প কাঠের সেতু নির্মান করে সওজ। কিন্তু বর্ষা মৌসুম আসার আগেই নদীর পানি বৃদ্ধিতে অস্থায়ী সেতুর কিছু অংশ পানিতে ভেঙ্গে গেলে তা মেরামত করা হয়।

নতুন ব্রীজ তৈরীর কাজ চলছে ধীর গতিতে।প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষসহ সাইকেল,মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুটি দিয়ে।

খরা মৌসুমে নদীতে যখন পানি কম ছিলো,তখন নদীর পানি থেকে ২ হাত উচ্চতায় কাঠের সেতুটি নির্মান করা হলেও বর্তমানে কাঠের সেতুটি প্রায় দুই ফুট পানির নিচে ডুবে গেছে।তারপরেও অনেকটা বাধ্য হয়েই পানির নিচে ডুবে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুটি দিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে মানুষসহ সাইকেল,মোটরসাইকেল নিয়ে পারাপার হচ্ছে।যা দেখলে মনে হবে যেন সবাই গভীর করতোয়া নদীর পানির উপর দিয়ে ভেসেই পার হচ্ছে।

অস্থায়ী সেতুটি পারাপারে বিকল্প কয়েকটি নৌকা থাকলেও তারা নদী পারাপারের জন্যে ৫০-১০০ পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া নেয়ায় সবার পক্ষে যেমন দেয়া সম্ভব নয়,তেমনি প্রয়োজনের তুলনায় নৌকা কম থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ডুবে যাওয়া সেতুটি দিয়ে অধিকাংশরাই পার হচ্ছে।

এবিষয়ে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আখতার বলেন,‘চলমান ব্রীজ নির্মান প্যাকেজে বিকল্প সেতু নির্মানের কোন ব্যবস্থা নেই। তবুও হেটে যাতায়াতের জন্য আমরা একটি অস্থায়ী সেতু তৈরি করেছিলাম এবং পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে দুটি নৌকা সেখানে দেওয়া হয়েছে জনসাধারণের পারাপারের জন্য।একটু কষ্ট হলেও পারাপারের জন্য সকলকে নৌকা ব্যবহার করতে হবে।

ভুক্তভোগী পলাশবাড়ীর রাসেল মন্ডল বলেন,নিরুপায় হয়ে ঝুঁকি নিয়ে পানির নিচে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যাওয়া সেতুটি দিয়েই পার হলাম। নির্মানকারীরা জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলতে ইচ্ছেকৃত ভাবেই এই কাজটি করেছে বলে তিনি অভিযোগ করে ভোগান্তি দুর করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সসহযোগীতা কামনা করেছেন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম খবর

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট